সাহরিতে যে ধরনের খাবার খাওয়া উচিত

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : রোজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সাহরি। সারা দিনের প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান আসে এই সাহরির খাবার থেকেই। তাই সুস্থ থেকে রোজা পালনের জন্য সাহরির খাদ্যতালিকায় সতর্ক থাকা জরুরি।

আমাদের দেশের সাধারণ খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অনেকেই সাহরিতে উচ্চ চর্বিযুক্ত বা অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার খেতে পছন্দ করেন। তবে এ ধরনের খাবার শরীরের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। সাহরিতে ভুল খাবার নির্বাচনের কারণে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তাই রোজায় সুস্থ থাকতে সাহেরির তালিকায় বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

১.তরল খাবার: সাহরির খাবারে স্বাদের চেয়ে খাদ্যগুণকে বেশি গুরুত্ব দিন। সাহরিতে বেশি করে তরল খাবার খান। যেমন: লেবু, কমলা, শসা, তরমুজ, ডাবের পানি ইত্যাদি। রোজার দিনে শরীরের পানিশূন্যতা কমাতে পর্যাপ্ত পানি ও জলীয় খাবার খাওয়া জরুরি।

২. জটিল কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ খাবার : জটিল কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার। লাল চালের ভাত বা ব্রাউন রাইস, ওটস, লাল আটার রুটি, মুসুর বা মুগ ডাল। এ খাবারগুলো ধীরে ধীরে হজম হয়, ফলে দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায় এবং ক্ষুধার অনুভূতি কমায়।

৩. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: প্রোটিন শরীরের টিস্যু মেরামত করে এবং শক্তি বজায় রাখে।

যা খেতে পারেন: সিদ্ধ ডিম, অমলেট, মুরগির মাংস , দই, ছোলা, বাদাম ও বীজ (বাদাম, চিয়া সিড, তোকমা ইত্যাদি) ।

৪. আঁশযুক্ত খাবার: আঁশযুক্ত খাবার যেমন:  সবুজ শাক- সবজি, ফলমূল, ছোলার ডাল ও মুগ ডাল। এ খাবারগুলো হজম প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে করে, ফলে ক্ষুধা দেরিতে লাগে।

সেহরিতে যা খাবেন না:

*এ সময় শুকনো ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাবেন না। এ ধরনের খাবার শরীরকে পানিশূন্য করে।

* সেহরির সময় চা বা কফি পান থেকে বিরত থাকুন। এগুলো পানিশূন্যতা বাড়ায়।

* উচ্চ চর্বিসমৃদ্ধ এবং তেলে ভাজা খাবার সেহেরিতে খাবেন না। এছাড়া, পাকস্থলীতে অস্বস্তি করে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন।

* এ সময় লবণাক্ত খাবার পরিহার করুন। যেমন: আচার, বেশি মসলাজাতীয় খাবার, প্রকিয়াজাত খাবার, ভারি  ডেজার্ট ও কোমল পানীয় ইত্যাদি।

সেহেরিতে সঠিক খাবার খেলে রোজা রাখা অনেকটা সহজ হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। তাই সেহেরিতে সঠিক খাবার বেঁছে নেওয়া জরুরি। সূএ: বাংলাদেশ  প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ৩০ জুলাই সারাদেশে সিএনজি স্টেশন বন্ধের ঘোষণা

» এদেশে শেখ পরিবার আর নেতৃত্ব দিতে পারবে না : হাসনাত আব্দুল্লাহ

» জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী

» ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ ৩ আগস্ট

» স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

» মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

» মাঠ পর্যায়েই হবে জন্মতারিখ সংশোধন, সহজ হচ্ছে প্রবাসী নিবন্ধন

» রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

» সদ্য লঞ্চ হওয়া গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি’র দাম কমালো স্যামসাং

» ‘ইকোফিল’ উদ্যোগ চালু করল এনার্জিপ্যাক

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

সাহরিতে যে ধরনের খাবার খাওয়া উচিত

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : রোজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সাহরি। সারা দিনের প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান আসে এই সাহরির খাবার থেকেই। তাই সুস্থ থেকে রোজা পালনের জন্য সাহরির খাদ্যতালিকায় সতর্ক থাকা জরুরি।

আমাদের দেশের সাধারণ খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অনেকেই সাহরিতে উচ্চ চর্বিযুক্ত বা অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার খেতে পছন্দ করেন। তবে এ ধরনের খাবার শরীরের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। সাহরিতে ভুল খাবার নির্বাচনের কারণে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তাই রোজায় সুস্থ থাকতে সাহেরির তালিকায় বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

১.তরল খাবার: সাহরির খাবারে স্বাদের চেয়ে খাদ্যগুণকে বেশি গুরুত্ব দিন। সাহরিতে বেশি করে তরল খাবার খান। যেমন: লেবু, কমলা, শসা, তরমুজ, ডাবের পানি ইত্যাদি। রোজার দিনে শরীরের পানিশূন্যতা কমাতে পর্যাপ্ত পানি ও জলীয় খাবার খাওয়া জরুরি।

২. জটিল কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ খাবার : জটিল কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার। লাল চালের ভাত বা ব্রাউন রাইস, ওটস, লাল আটার রুটি, মুসুর বা মুগ ডাল। এ খাবারগুলো ধীরে ধীরে হজম হয়, ফলে দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায় এবং ক্ষুধার অনুভূতি কমায়।

৩. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: প্রোটিন শরীরের টিস্যু মেরামত করে এবং শক্তি বজায় রাখে।

যা খেতে পারেন: সিদ্ধ ডিম, অমলেট, মুরগির মাংস , দই, ছোলা, বাদাম ও বীজ (বাদাম, চিয়া সিড, তোকমা ইত্যাদি) ।

৪. আঁশযুক্ত খাবার: আঁশযুক্ত খাবার যেমন:  সবুজ শাক- সবজি, ফলমূল, ছোলার ডাল ও মুগ ডাল। এ খাবারগুলো হজম প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে করে, ফলে ক্ষুধা দেরিতে লাগে।

সেহরিতে যা খাবেন না:

*এ সময় শুকনো ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাবেন না। এ ধরনের খাবার শরীরকে পানিশূন্য করে।

* সেহরির সময় চা বা কফি পান থেকে বিরত থাকুন। এগুলো পানিশূন্যতা বাড়ায়।

* উচ্চ চর্বিসমৃদ্ধ এবং তেলে ভাজা খাবার সেহেরিতে খাবেন না। এছাড়া, পাকস্থলীতে অস্বস্তি করে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন।

* এ সময় লবণাক্ত খাবার পরিহার করুন। যেমন: আচার, বেশি মসলাজাতীয় খাবার, প্রকিয়াজাত খাবার, ভারি  ডেজার্ট ও কোমল পানীয় ইত্যাদি।

সেহেরিতে সঠিক খাবার খেলে রোজা রাখা অনেকটা সহজ হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। তাই সেহেরিতে সঠিক খাবার বেঁছে নেওয়া জরুরি। সূএ: বাংলাদেশ  প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com